Ad 728x90

Tuesday, September 29, 2026

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি ক্লাস্টারে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি ক্লাস্টারে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা

 # প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি ক্লাস্টারে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা



প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।

## ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ

প্রতিবেদনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অংশে প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী করতে বেশ কিছু বড় পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে:

 * **শিক্ষক নিয়োগ:** শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে শারীরিক ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

 * **উপস্থিতি বৃদ্ধি:** বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত গড় উপস্থিতি বাড়িয়ে ৮০ শতাংশে উন্নীত করা।

 * **ডিজিটাল ডাটাবেজ:** সিআরভিএস (CRVS)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখে সব শিক্ষার্থীর ছবিসহ আইডি কার্ড ও ডাটাবেজ প্রণয়ন।

 * **শিফট পরিবর্তন:** পর্যায়ক্রমে দুই শিফটের বিদ্যালয়গুলোকে এক শিфটে রূপান্তর করে শিক্ষার সঙ্গে যোগাযোগের সময় (কন্ট্যাক্ট আওয়ার) বৃদ্ধি করা।

 * **প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা:** জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাস্তর এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছরে উন্নীত করা।

## ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রধান অর্জনসমূহ

প্রতিবেদনে গত অর্থবছরের বিভিন্ন সফলতাও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অর্জন হলো:

 * শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া।

 * সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন।

 * শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য চাহিদাভিত্তিক পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ।

 * স্কুল লেভেল ইম্প্রুভমেন্ট প্ল্যান (SLIP) সফলভাবে বাস্তবায়ন।

 * উপবৃত্তির আওতায় প্রাপ্য সব শিক্ষার্থীকে নিয়মিত উপবৃত্তি প্রদান।

 * শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করা।

 * সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাবিং কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের উন্নয়ন।

> প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং কোমলমতি শিশুদের ঝরঝরে ও আনন্দদায়ক পরিবেশে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনাগুলো অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Tuesday, July 28, 2026

পাবনায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

পাবনায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ







## পাবনায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে শোকজ

**পাবনা প্রতিনিধি:**

শিক্ষার্থীদের মৌলিক স্বাক্ষরতা ও সংখ্যা জ্ঞান (এফএলএন) অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগে পাবনার বেড়া উপজেলায় ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করা হয়েছে। গত ২৬ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এই নোটিশ প্রদানের বিষয়টি সম্প্রতি জানাজানি হলে স্থানীয় শিক্ষা মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

### কেন এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ?

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গৃহীত ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনার আওতায় নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যার মধ্যে ছিল:

 * **তৃতীয় শ্রেণি:** শিক্ষার্থীদের বাংলা রিডিং পড়ার সক্ষমতা অর্জন।

 * **চতুর্থ শ্রেণি:** গণিতের চারটি মৌলিক নিয়ম (যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ) আয়ত্ত করা।

 * **পঞ্চম শ্রেণি:** শিক্ষার্থীদের সাবলীলভাবে ইংরেজি রিডিং পড়া নিশ্চিত করা।

গত ৩০ জুনের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়।

### শিক্ষা অফিসের বক্তব্য

বেড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এফএলএন কর্মসূচিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। বারবার নির্দেশনা ও তদারকি সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা কার্যকর উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন, যা তাদের পেশাগত দায়িত্ব অবহেলার শামিল।

নোটিশে উল্লিখিত শিক্ষকদের আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সেটির সন্তোষজনক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এই নোটিশের মাধ্যমে।

### শোকজপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য বিদ্যালয়সমূহ

যেসব বিদ্যালয়ে শোকজ দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে: রূপগঞ্জ, আকনাই, কোমরপুর, শ্যামপুর, চর নতিবপুর, পুরান মাসুমদিয়া, নতুন মীরপুর, রতনগঞ্জ, ঢালারচর, খাস ঢালারচর, রামনারায়ণপুর, মাসুমদিয়া কাজীপাড়া, মহিষাখোলা, দুর্গাপুর, সিন্দুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও অন্যান্য।

শিক্ষার মান উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় শিক্ষা অফিস।

সুত্রঃ ঢাকা পোস্ট 



Thursday, July 23, 2026

প্রাথমিকে শিক্ষকদের পদায়ন ও বদলিতে অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ

প্রাথমিকে শিক্ষকদের পদায়ন ও বদলিতে অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ

 


প্রাথমিকে শিক্ষকদের পদায়ন ও বদলিতে অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ

​অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন এবং বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

​গত ২০ জুলাই অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প: ও অ:) মাহফুজা খাতুন স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক নম্বর: ৩৮.০১.০০০০.০০০.৪০০.১৯.০০১৭.২৫-১৩২৫) এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন এবং কর্মরত সকল শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​এ সংক্রান্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে—

  • ​জাতীয় কমিটি,
  • ​অন্তঃবিভাগ কমিটি (সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত),
  • ​জেলা কমিটি (পৌরসভাসহ, তবে সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত) এবং
  • ​উপজেলা/থানা কমিটি (পৌরসভাসহ)

​গঠন ও তাদের কার্যপরিধি উল্লেখ করে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

​অধিদপ্তরের জারি করা আদেশে বলা হয়, উক্ত প্রজ্ঞাপনের আলোকে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়কে অবিলম্বে বর্ণিত কমিটিসমূহ গঠনপূর্বক পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

​আদেশের অনুলিপি সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং থানা/উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

পিইডিপি৪-এর হস্তান্তর বিহীন অবকাঠামোর জরুরি তালিকা চেয়েছে ডিপিই

পিইডিপি৪-এর হস্তান্তর বিহীন অবকাঠামোর জরুরি তালিকা চেয়েছে ডিপিই


পিইডিপি৪-এর হস্তান্তর বিহীন অবকাঠামোর জরুরি তালিকা চেয়েছে ডিপিই

​অনলাইন ডেস্ক:

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি৪) আওতায় নির্মিত ও নির্মাণাধীন হস্তান্তর বিহীন অবকাঠামোর জরুরি তালিকা তলব করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে নির্ধারিত ই-মেইলে এ তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​গত ২০ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সংযুক্ত-ডিপিই) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক নম্বর: ৩৮.০১.০০০০.১০১.৯৯.০০৬.১৮-৭৬৭) এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি৪) মেয়াদ গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়েছে। মেয়াদের মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই) কর্তৃক নির্মিত বা নির্মাণাধীন যেসব অবকাঠামো (যেমন: শ্রেণিকক্ষ, সীমানা প্রাচীর, ওয়াশব্লক ও নলকূপ) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট এখনো হস্তান্তর করা হয়নি, সেগুলোর বিভাগ, জেলা ও উপজেলাওয়ারী তালিকা তৈরি করা জরুরি।

​আদেশে আরও বলা হয়, আগামী ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী হার্ডকপি এবং 'নিকুশবান' (NikoshBan) ফন্টে এক্সেল আকারে সফটকপি মহাপরিচালক বরাবর dgprimarybd@gmail.com এবং adgpedp4@gmail.com ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

​বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের সকল বিভাগীয় উপপরিচালকদের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে।

​মে মাসের অননুমোদিত অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা ও কারণ জানতে চায় ডিপিই

​মে মাসের অননুমোদিত অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা ও কারণ জানতে চায় ডিপিই

 


​মে মাসের অননুমোদিত অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকা ও কারণ জানতে চায় ডিপিই

​অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মে (২০২৬) মাসের অননুমোদিত অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ ও সময়কাল জানতে চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের ই-মেইলে এ তথ্য পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

​গত ২২ জুলাই পরিবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক জরুরি স্মারকে (স্মারক নম্বর: ৩৮.০১.০০০০.৮০১.১৪.০০২.২৪-৫০৪/৬৪) এ তথ্য জানানো হয়।

​স্মারকে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের দৈনন্দিন স্কুলে উপস্থিতি ও শ্রেণি কার্যক্রম পরিবীক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় পর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্য ডিপিই-এর পরিবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ পর্যালোচনা করেছে। পর্যালোচনা শেষে সংযুক্ত তালিকায় উল্লিখিত শিক্ষকদের অননুমোদিতভাবে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ ও সময়কাল উল্লেখ করে রিপোর্ট জমা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

​নির্দেশনায় আরও জানানো হয়, সংযুক্ত তালিকার শিক্ষকদের অনুপস্থিতির তথ্য একটি নির্ধারিত ছকে এক্সেল শিট (Excel sheet) আকারে আগামী ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে admonitoringdpe@gmail.com ই-মেইলে পাঠাতে হবে।

​প্রাপ্ত প্রতিবেদন পরিবেক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ কর্তৃক পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, বিদ্যালয় ও মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট সম্পূরক তথ্য, প্রমাণাদি বা ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে। বিষয়টিতে ডিপিই মহাপরিচালকের সদয় অনুমোদন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

​ইতোমধ্যে নির্দেশনার কপি দেশের সকল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং বিভাগীয় উপপরিচালকদের নিকট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

IPEMIS-এ APSS-২০২৬ মডিউলে ডেটা এন্ট্রির সময়সূচি প্রকাশ করলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

IPEMIS-এ APSS-২০২৬ মডিউলে ডেটা এন্ট্রির সময়সূচি প্রকাশ করলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর


 
IPEMIS-এ APSS-২০২৬ মডিউলে ডেটা এন্ট্রির সময়সূচি প্রকাশ করলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২৬

​দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান (APSS) ২০২৬-এর তথ্য আইপিইএমআইএস (IPEMIS) সফটওয়্যারে এন্ট্রির নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ কার্যক্রম আগামী ২৬ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে চলবে ১০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত।

​আজ (২৩ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক জরুরি নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

​নোটিশে বলা হয়, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রতিবছর বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান (APSS) প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়ে থাকে। ২০২৬ শিক্ষাবছরের APSS প্রতিবেদন প্রণয়নের জন্য আইএমডি বিভাগ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত IPEMIS সফটওয়্যারের APSS মডিউলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাটা সার্ভারে এন্ট্রি সম্পন্ন করতে হবে।

​নোটিশে উল্লেখিত নির্দেশনাসমূহ:

  • ​প্রধান শিক্ষকদের করণীয়: নিজ আওতাধীন সকল ক্যাটাগরির বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিদ্যালয় সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য IPEMIS-এর APSS মডিউলে সঠিকভাবে এন্ট্রি ও দাখিল করতে হবে।
  • ​সহকারী শিক্ষা অফিসারদের করণীয়: উপজেলা বা থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণ প্রাপ্ত তথ্যসমূহ যাচাই-বাছাই করে তা অগ্রায়ন করবেন।
  • ​অনুমোদন ও চূড়ান্ত দাখিল: অনুমোদনের মাধ্যমে আগামী ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে IPEMIS সফটওয়্যারের APSS মডিউলে তথ্য চূড়ান্তভাবে দাখিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

​এ সংক্রান্ত চিঠি সকল উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং বিভাগীয় উপপরিচালকদের কাছে বাস্তবায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতিদিনের উপস্থিতি মনিটরিং জোরদার

প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতিদিনের উপস্থিতি মনিটরিং জোরদার

 



প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রতিদিনের উপস্থিতি মনিটরিং জোরদার: নির্ধারিত সময়ে তথ্য পাঠাতে কঠোর নির্দেশ

​নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি মনিটরিং জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ অনুযায়ী এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

​সম্প্রতি অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এক জরুরি নির্দেশনায় জানানো হয়, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতিদিনের উপস্থিতির তথ্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রমান্বয়ে বিদ্যালয়, ক্লাস্টার, উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় কার্যালয় হয়ে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

​বিজ্ঞপ্তিতে মনিটরিং সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করে জানানো হয়েছে। সাধারণ অঞ্চলের জন্য বিদ্যালয় থেকে সকাল ৯:৪৫ মিনিট, ক্লাস্টার থেকে ১০:১৫ মিনিট, উপজেলা থেকে ১০:৪৫ মিনিট এবং জেলা কার্যালয় থেকে ১১:১৫ মিনিটের মধ্যে তথ্য প্রেরণের নিয়ম রয়েছে। তবে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে বিদ্যালয় থেকে সকাল ৭:৫০ মিনিট, ক্লাস্টার থেকে ৮:১৫ মিনিট, থানা থেকে ৮:৪৫ মিনিট এবং জেলা থেকে ১০:১৫ মিনিটের মধ্যে তথ্য হস্তান্তরের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

​অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে বেলা ১১:১৫ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চূড়ান্ত তথ্য প্রেরণের নিয়ম থাকলেও মাঠপর্যায়ে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে এই তথ্য পৌঁছাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনের শিক্ষক উপস্থিতির সঠিক প্রতিবেদন তৈরি করতে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

​এই পরিস্থিতি নিরসনে অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত ওই পত্রে, অধীনস্থ সকল অফিস থেকে সময়মতো তথ্য সংগ্রহ ও একত্রীকরণ করে প্রতি কার্যদিবসে বেলা ১১:১৫ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে তথ্য পাঠাতে সব বিভাগীয় উপপরিচালককে পুনরায় অনুরোধ করা হয়েছে।

​শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই ডিজিটাল ও সময়াবদ্ধ মনিটরিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত হবে, যা শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Wednesday, July 8, 2026

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সুখবর!

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সুখবর!

 


​🔴 প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সুখবর! সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত করার নির্দেশ। 📜✨

​গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অফিশিয়াল চিঠি জারি করা হয়েছে। দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি এবং সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদগুলোতে নতুন নিয়োগের যাবতীয় কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে (DPE) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​আজ ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখার উপসচিব রাজীব কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

​এই উদ্যোগের ফলে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন যেমন ত্বরান্বিত হবে, তেমনই সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে এবং শূন্য পদগুলোতে নতুন নিয়োগের মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

​ধন্যবাদ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এই ইতিবাচক ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য। 🎯🙌

​#PrimaryEducation #TeacherPromotion #JobCircular #PrimarySchool #BangladeshGovernment #GoodNews #MOPME #PrimaryTeacher

Saturday, June 13, 2026

১৪ জুন প্রাথমিকের সংক্ষিপ্ত দৈনিক পাঠ-পরিকল্পনা -২০২৬

১৪ জুন প্রাথমিকের সংক্ষিপ্ত দৈনিক পাঠ-পরিকল্পনা -২০২৬




 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬

 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ সুষ্ঠু ও নিয়মমাফিকভাবে পরিচালনার জন্য খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও অভিযোগ নিষ্পত্তির স্পষ্ট নিয়মাবলী নির্ধারণ করা হয়েছে। 












নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:  

​🧒 খেলোয়াড়দের বয়স ও বাছাইয়ে অনিয়মের শাস্তি


#সর্বোচ্চ বয়সসীমা: যে শিক্ষাবর্ষে খেলা শুরু হবে, সেই শিক্ষাবর্ষের ৩১ ডিসেম্বর তারিখে খেলোয়াড়দের বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ১২ (বারো) বছর।  


#ভুল/অনিয়ম প্রমাণিত হলে শাস্তি: খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার বয়সের অনিয়ম বা জালিয়াতি প্রমাণিত হলে, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

 তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  


#বয়স প্রত্যয়ন: উপজেলা পর্যায় থেকে জেলা পর্যায়ে যাওয়ার সময় ইউএনও, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং জেলা পর্যায় থেকে বিভাগে যাওয়ার সময় ডিসি, সিভিল সার্জন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ছবি ও জন্মসনদসহ বয়স প্রত্যয়ন করবেন।  


​📝 অভিযোগ বা আপত্তি জানানোর নিয়ম :​খেলা নিয়ে কোনো দলের যদি কোনো প্রকার অভিযোগ বা আপত্তি থাকে, তবে তা নিচে বর্ণিত উপায়ে দাখিল করতে হবে:


​সময়সীমা: খেলা শেষ হওয়ার ১ (এক) ঘন্টার মধ্যে অভিযোগ জমা দিতে হবে।  


​ফি: অভিযোগের সাথে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা অফেরতযোগ্য ফি প্রদান করতে হবে।  


​কার বরাবরে: প্রতিযোগিতার সংশ্লিষ্ট পর্যায়ের টুর্নামেন্ট শৃংখলা উপ-কমিটির সভাপতি অথবা সদস্য-সচিব বরাবরে লিখিত অভিযোগ/আপত্তি দাখিল করতে হবে।  


​ #অভিযোগ নিষ্পত্তি ও আপীলের প্রক্রিয়া

​প্রাথমিক সিদ্ধান্ত: লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শৃংখলা উপ-কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।  


#আপীলের সুযোগ: শৃংখলা উপ-কমিটির দেওয়া সিদ্ধান্তে যদি কোনো দলের আপত্তি থাকে, তবে তারা পুনরায় আপীল করতে পারবে। এই লিখিত আপীল ১২ (বারো) ঘন্টার মধ্যে মূল টুর্নামেন্ট কমিটির কাছে দাখিল করতে হবে।  


​চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: আপীল পাওয়ার পর টুর্নামেন্ট কমিটি পরবর্তী ১২ (বারো) ঘন্টার মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে। এ বিষয়ে টুর্নামেন্ট কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।  


​ আসুন, নিয়মের মধ্যে থেকে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে শিশুদের এই ফুটবল উৎসবকে সফল করে তুলি। কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় না দিয়ে টুর্নামেন্টের শৃঙ্খলা বজায় রাখি। 


​#PrimarySchoolGoldCup2026 #FootballTournament #RuleOfLaw #FairPlay #BangladeshSports