Thursday, April 2, 2026
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) কর্তৃক নির্দেশনা ৭ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে তথ্য
সরকারি চিঠি নিয়ে ভূয়া পত্র সম্পর্কে সচেতন থাকার অনুরোধ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) কর্তৃক নির্দেশনা ৩০ জুনের আগেই পুরণ করতে হবে
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) কর্তৃক একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
মানসম্মত ও আধুনিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) কর্তৃক একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এখন থেকে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ও স্পিকার ব্যবহার করে ডিজিটাল কন্টেন্টের মাধ্যমে পাঠদান পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।
এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্যগুলো হলো:
✅ শিক্ষার্থীদের পাঠে আগ্রহ বৃদ্ধি করা।
✅ জটিল বিষয়গুলো সহজে বোঝানোর ব্যবস্থা করা।
✅ সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি বাড়ানো।
✅ শিক্ষক বাতায়ন ও IPEMIS সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক শিক্ষাদান।
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং আগামীর দক্ষ নাগরিক গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় এই ডিজিটাল রূপান্তর অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আমাদের সন্তানদের জন্য একটি উজ্জ্বল ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাই হোক আমাদের লক্ষ।
Wednesday, April 1, 2026
ভ্যাকেশন ও নন-ভ্যাকেশন চাকুরীজীবীদের মধ্যে সুবিধাগত পার্থক্য:
আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬ হতে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন।
আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬ হতে সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন।
সপ্তাহে ০৩ (তিন) দিন অফিস ও ২ দিন ঘরে বসে অনলাইনে।
১. অফিস সময়সূচি: সপ্তাহে বর্তমান ৫ (পাঁচ) কর্মদিবসের পরিবর্তে ৩ (তিন) দিন (রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার) সশরীরে উপস্থিত থেকে অফিস কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
২. অফিস সময়: উক্ত ০৩ কার্যদিবসে অফিসের সময় হবে সকাল ৮:০০ টা হতে বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত।
৩. অনলাইন/হোম অফিস: সপ্তাহের অবশিষ্ট ০২ কার্যদিবস (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) দাপ্তরিক কাজ ডিজিটাল পদ্ধতিতে (Online/E-nothi) ঘরে বসে সম্পন্ন করতে হবে।
৪. জরুরি পরিষেবা: হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি আওতামুক্ত থাকবে।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর রুটিন ও সিলেবাস।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আজকের মিটিংয়ের বিস্তারিত
আজকের সভার বিস্তারিত...
মিটিং শুরু হবার আগে আমরা মহাপরিচালক মহোদয় ও সচিব মহোদয়ের সাথে আমাদের তিন দফা দাবিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি।
ডিজি মহোদয় বলেছেন-
১) ১১তম গ্রেডের বিষয় বলেছেন কাজ চলছে।
২) ১৯ এপ্রিলের পরেই অর্থাৎ এ মাসের মধ্যেই আমাদের মামলার ফয়সালা হবে।
৩) দ্রুত রেস্ট এ্যান্ড রিক্রিয়েশন সমস্যার সমাধান হবে।
৪) অচিরেই সহকারী শিক্ষক পদটি শিক্ষক পদ-এ রুপান্তরিত হবে।
এরপর শুরু হয় আজকের সভাঃ
আলোচ্য বিষয়ছিল-
ক) বিদ্যুৎ ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে জনসচেতনতা সংক্রান্ত।
খ) শিক্ষার্থীদের পরিবহন ব্যবহার সংক্রান্ত।
গ) বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি সংক্রান্ত।
ঘ) শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা সংক্রান্ত।
ঙ) বিবিধ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জনাব ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মহোদয়, সভাপতিত্ব করেন জনাব আবু তাহের মো: মাসুদ রানা আমাদের সচিব মহোদয় , প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। উপস্থিত ছিলেন আমাদের মহাপরিচালক মহোদয়সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকার মধ্যের এবং কাছা-কাছির প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বিশেষ করে কিন্ডার গার্টেনের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকার মধ্যের বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ।
আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি বাংলাদেশসহ বিশ্বে তীব্র বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকট, সার ও খাদ্য সংকট, মুদ্রাস্ফীতি, মধ্যপ্রাচ্যে কর্মসংস্থান বিপর্যয়সহ নানাবিধ প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এমন সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষক সংগঠনের এই আলোচনা সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা নিম্নোক্ত বিষয়ে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সচিব মহোদয়সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।
*১. বিদ্যুৎ ব্যবহার ও সাশ্রয়ে সচেতনতা*
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিবেচনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়কে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে উপস্থাপন করা।
স্কুলে “Energy Smart School” উদ্যোগ চালু করা, যেমন- পর্দা অপসারন ও দরজা-জানালা যতটা সম্ভব খোলা রাখা, অপ্রয়োজনীয় ফ্যান/লাইট বন্ধ রাখা, যতটা সম্ভব LED লাইট ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন। বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপন।
গরমের সময়সূচি সমন্বয় করে বিদ্যুতের চাপ কমানো।
এক্ষেত্রে আমরা মর্নিং স্কুলের কথা উল্ল্যেখ করেছি।
দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যালয় ভবন পরিকল্পনা পরিমার্জন যেখানে, শিশুদের জন্য খোলামেলে পরিবেশ, পর্যাপ্ত আলোবাতাস প্রবাহ, ছায়া প্রদায়ী অবকাঠামো, নিরাপদ পানি ও সেনিটেশন, ইত্যাদি বিষয়গুলো পুণঃবিবেচনা করা হবে।
*২. বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পরিবহন ব্যবহার*
সাধারণত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিশু বিদ্যালয় ক্যাচম্যান্ট এলাকায় থাকে। গ্রামীন এলাকায় এর বিশেষ প্রভাব নেই। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক উপজেলা বা নিকটবর্তী এলাকা থেকে আসেন বিধায় তাদের যাতায়ত একটি ইস্যু। শহর এলাকায় জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্কুল বাস/শেয়ার্ড ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করছি যদিও এর সিংহভাগ বেসরকারি বা বানিজ্যিকভাবে পরিচালিত বিদ্যালয়র জন্য প্রযোজ্য।
একই এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য “Pooling System” চালু করা এবং অভিভাবকদের ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের পরিবর্তে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহিত করা।
নিরাপদ ও সাশ্রয়ী পরিবহন নীতিমালা প্রণয়ন এবং সাইকেল ব্যবহারে উৎসাহিত করা।
*৩. বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক ছুটি*
জ্বালানি সাশ্রয় ও ট্রাফিক কমাতে সাপ্তাহিক ছুটি সাময়িকভাবে ১ দিন বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
গরম মৌসুমে (Heatwave) অতিরিক্ত ছুটি বা সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা। মর্নিং স্কুল চালুর কথা বলা হয়েছে।
যেখানে সম্ভব অনলাইন/হাইব্রিড ক্লাসের সীমিত ব্যবহার (বিশেষ পরিস্থিতিতে)।
আমরা কভিডের সময় উল্ল্যেখ করেছি। অনলাইনে পাঠদান ফলপ্রস্যু হয়নি। এবং আরো বলেছি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।( ইন্টারনেট, ডিভাইস, দক্ষতা ইত্যাদির ঘাটতি)
*৪. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা*
বৈশ্বিক অস্থিরতায় খাদ্য ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে—এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
বর্তমানে হাম রোগের অস্বাভাবিক প্রকোপ, গরমে হিটস্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে নির্দেশনা দেওয়া।
স্কুলে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা।
মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্ক কমাতে কাউন্সেলিং।
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা (basic screening) নিশ্চিত করা।
শিশু ও শিক্ষকদের শারীরিক ও মানষিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ইউনেস্কো ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে যে “হেলথ প্রমোটিং স্কুল” ফ্রেমওয়ার্ক প্রণীত হয়েছে তার পূর্ণ ব্যবহারে উদ্যোগ নেওয়া।
*৫. বিবিধ*
সংকটকালে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে Contingency Plan বা Rapid Response plan তৈরি করা।
অপ্রত্যাশিত খাদ্য সংকটের আগেই আমাদের স্কুল মিল ও সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোড়দার করা।
শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ, বিশেষ করে সংকট মোকাবিলা, বিকল্প শিক্ষণ পদ্ধতি, শারীরিক ও মানষিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং ও কাউনসেলিং করা।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্কুলের মধ্যে সমন্বয় জোরদার।
মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সঠিক তথ্য প্রচার নিশ্চিত করা।
শিক্ষা খাতে বাজেট সুরক্ষা, বিশেষ করে সংকটের মধ্যেও যেন শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিক্ষা খাতকে শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ না রেখে গ্লোবাল সিটিজেনশীপ এডুকেশনের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে দায়িত্বশীল নাগরিক গঠনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে হবে, যেখানে মানবসক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্বালানি সাশ্রয়, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা, শারীরিক ও মানষিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগ হবে মূল অগ্রাধিকার।
আমরা সভা থেকে যেটা অনুমান করতে পারলাম --
মেট্রোপলিটন শহরে শ্রেণি কার্যক্রমে/ পাঠদানের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে পারে।
মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় চমৎকারভাবে বোঝাতে চাইলেন পরিস্থিতি মোকাবেলায়, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে একমাত্র আমরাই পারি।
তিনি আরো বলেছেন, আগামীকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী/মন্ত্রীপরিষদের সভায় এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
(আরো অনেক আলোচনা হয়েছে। আমি যা মনে করতে পারলাম সেটুকুনই লিখলাম। এই সব আলোচনা কেবলমাত্র আমরা করিনি, সবার কথায় উঠে এসেছে। আমরা প্রাথমিকের মাত্র ছয়জন ছিলাম, অধিকাংশই ছিল কিন্ডারগার্টেনের নেতৃবৃন্দ। কারন- ঢাকায় জ্বালানি সাশ্রয়ে তারাই বেশী ভূমিকা রাখবে। সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গাড়ি থাকে না)।
Shahinur Alamin স্যারের টাইম লাইন থেকে হুবহু ।
সরকারি অফিস যে ৩ দিন সশরীরে পরিচালনা করা প্রসঙ্গে পত্র
কারারক্ষী ও মহিলা কারারক্ষী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আজ অনুষ্ঠিত সভার গুরুত্বপূর্ণ আপডেট
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আজ অনুষ্ঠিত সভার গুরুত্বপূর্ণ আপডেট
👉 প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ দিন অনলাইন ও ৩ দিন সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
👉 প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে বা মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
👉 শিক্ষকগণ বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে অনলাইন ক্লাস নেবেন।



_1.jpg)
_2.jpg)
_3.jpg)
_4.jpg)
_5.jpg)
_6.jpg)
_7.jpg)









