আপনার_সন্তানকে_যে যে কারনে_সরকারি_প্রাথমিক_বিদ্যালয়ে_ভর্তি_করাবেন।
♦প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো বেতন নেই।
♦বিনামূল্যে বই প্রদান।
♦শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপবৃত্তি প্রদান।
♦উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী, যোগ্য ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক দ্বারা পাঠদান।
♦পঞ্চম শ্রেণিতে সরকারি বৃত্তি প্রাপ্তির সুযোগ।
♦মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে আকর্ষণীয় উপায়ে পাঠদান। প্রায় সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর আছে। এসব আধুনিক এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান।
♦সরকারিভাবে প্রতিদিন দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা (মিড ডে মিল)।
♦অতিরিক্ত বইয়ের চাপ নেই।
♦শিক্ষার্থীদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন খেলার সামগ্রী সাথে বিশাল খেলার মাঠ।
♦শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শরীর চর্চার সুব্যবস্থা।
♦বাড়ির কাছেই প্রতিষ্ঠান। গাড়িঘোড়ার সমস্যা ছাড়াই পায়ে হেটে স্কুল যাওয়ার ব্যবস্থা।
♦স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ। প্রত্যেক বিদ্যালয়ের ভবনই পাকা এবং আকর্ষণীয় শ্রেণিকক্ষ। ওয়াস ব্লকের আওতায় রয়েছে একতলা/দ্বিতল স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট। বিদ্যালয় রাস্তার পাশে অবস্থিত হলে তৈরি করা হচ্ছে সীমানা প্রাচীর।
♦শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের সুযোগ।
♦ বর্তমানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন ধরনের শারীরিক বা মানসিক শাস্তি দেওয়ার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে শিক্ষালাভের সুযোগ।
সরকারি এত সুযোগ সুবিধার পরেও আমাদের দেশের অনেক কম সচেতন এবং বিত্তশালী অভিভাবক তাদের সন্তানদের বিভিন্ন ধরনের বেসরকারী স্কুলে পড়াচ্ছেন। অনেকে মনে করেন তাদের সন্তানের জন্য মাসে যত বেশি খরচ হবে তত তাদের মর্যাদা বাড়বে। বাস্তবতা এমনটা না। শিশুর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আপনার সন্তানকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।
জসিম উদ্দিন
সহকারি শিক্ষক
মুক্তারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
মুন্সিগঞ্জ সদর,মুন্সিগঞ্জ



0 komentar: